Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2019

মানুষটাকে প্রথম দেখায় আমি প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম...

মানুষটাকে প্রথম দেখায় আমি প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম....আপনাদের ভাষায় ওটা ক্রাশ হতে পারে কিন্তু আমি জানি.... ই অনুভূতিটার ভাবার্থটা কি ছিলো....লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে সোজাসুজি মানুষটাকে বলেছিলাম তোমার নথ হতে চাই....ফিরিয়ে দিয়েছিলো আমাকে......হয়ত অতীতের পাওয়া কষ্টটাকে নতুনভাবে পেতে চায় নি তাই....! যে মানুষটার চোখ জোড়া দেখে আপনার তার প্রতি প্রচন্ড মায়া জন্মেছিলো.... আপনি জানেন না সেই চোখের মায়ায় একটা সময় কেউ হাবুডুবু খেত....এখন চোখের দিকে তাকালেই সূর্যের প্রখর আলোর প্রয়োজন পড়ে না চোখ ঝাপসা করা জলগুলো চিকচিক করতে থাকে....তাই নতুন স্বপ্ন ঐ জলেই ভেসে যায়! রিক্সায় বা পাশাপাশি চলার সময় আঙ্গুলের ভাজে আটকে রাখা মানুষটা এখন কারও সাথে হাত মিলাতে বড্ড ভয় পায় কারণ কেউ খুব শক্ত করে আটকে রেখেছিলো হাতজোড়া প্রতিশ্রুতি ছিলো কোনদিন ছেড়ে যাবো না তোমাকে.....যায় নি সে তাই তো এখন ঐ হাতে ঘুমের ট্যাবলেট ছাড়া কিছু ওঠে না.... টোল পড়া হাসিতে আমি বরাবর ক্রাসিত কিন্তু এখন মুখটা আর হাসতে পারে না....খরচ হয়ে গেছে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত সেল নাম্বারে এখন রিসিভ হয় না ফোনটা পেঁচার মতন মুখটাকে লুকিয়ে রাখতে ভালোবাসে মা...

মেয়ে

মার্কেটে মেয়েদের কস্মেটিক্স এর দোকানে বসে আছি। একের পর এক কাস্টমার আসছে আর নতুন কিছু শিখছি। ৯৫% ই মেয়ে। মাঝে মাঝে অনেক হাসিও পাচ্ছে কিছু কিছু ঘটনা দেখে। তাই বলতে যাবো এখন। প্রথমে আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই। আমি জনি অনার্স প্রথম বর্ষ। রোজার মাস তাই ভার্সিটি বন্ধ। আমার আম্মুর কথা ছেলে মানুষ বাসায় থেকে কি করবি। 😑 রাস্তা ঘাটে বের হো, মানুষদের সাথে কথা বল কিছু শিখ। তাই এই রোজার মাসে মামার দোকানে পাঠিয়ে দিয়েছে। এক কথায় বিনা বেতনে কলুর বলদের মতো খাটতে হয়। এর আগে মামার দোকানে তেমন আসা হয় নি, ৭ মাস হলো নতুন মার্কেট। তবে বেশ আগ্রহ নিয়েই কসমেটিকস এর দোকানে আসা। এর আগের বছর আমার বন্ধু এই রকম দোকানে কাজ করে কয়েকজন জাস্ট ফ্রেন্ড বানায় 😋 । আমিও একই উদ্দেশ্যে আসি। যদিও এখন ২ নাম্বার Gf আছে। প্রথম টার সাথে ব্রেকআপ হয়েছে ৬ মাস, আর নতুন টা ১ মাস হলো রিলেশন করছি। কিন্তু জাস্ট ফ্রেন্ড রাখতে সমস্যা কি 🙄 । সবাই কম বেশি রাখে আমিও না হয় রাখলাম 😇 । এইবার মূল ঘটনা তে আসি সকাল সকাল মামার সাথে দোকানে আসি। এসে সব ঠিকঠাক করি আরো কয়েকজন ছেলে আছে দোকানে । প্রথমে আসে একজন ভদ্রমহিলা তার...

একটি নীরব চিৎকার! 💔 ২৩ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড.

আমার আর্মিতে জয়েনের দিনই আমাকে কিছু কড়া ইন্সট্রাকশন দেয়া হয়। কটু কথাও শুনতে হয় আমার ফিটনেস নিয়ে। লম্বার দিক দিয়ে খারাপ না থাকলেও, আমার স্বাস্থ্য আর্মিসূলভ ছিল না। এমনিতেও বাড়িতে খাওয়াদাওয়াতে প্রচুর অনিয়ম করেছি। সেই অনিয়মের জন্য কোনও কথা শুনতে হয় নি। আজ শুনতে হচ্ছে। ইন্সট্রাকশনের কতগুলো পয়েন্ট এখানে তুলে ধরি, নিজের মোবাইল ফোন অফিসে জমা রাখতে হবে। তিন মাসের ট্রেনিং এ একবারও মোবাইল চাওয়া যাবে না। অফিসারের প্রত্যেকটা কথা শুনতে হবে। অফিসার যদি বলে পাহাড়ে উঠে লাফ দিয়ে মরে যাও, পাহাড়ে উঠে লাফ দিয়ে মরে যেতে হবে। প্রশ্ন করা যাবে না। বাড়িতে ফোন করার জন্য বারবার রিকুয়েস্ট করা যাবে না ও খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ি থেকে আসা ফোন ওকে দেয়া হবে না ট্রেনিং সেশনের সময়। এ জন্য কোনও কমপ্লেইন করা যাবে না। অসুস্থ্য হওয়া যাবে না। অজুহাত নামের হাত কেটে ফেলে দিতে হবে। আমার জন্য অন্যরকম একটা ইন্সট্রাকশন দেয়া হলো। সারাদিনে ২০০ টা পুশ আপ দিয়ে অফিসার কে রিপোর্ট করতে হবে। এই দুইশো পুশ আপের জন্য আমাকে এক ঘন্টা সময় দেয়া হবে। অনেক কথা বলা হলো, অথচ আমার পরিচয় দেয়া হয় নি। আমার নাম তারিফ, থাকি য...

সময়_থাকলে_পড়ে_দেখতে_পারেন

তিয়াশের শরীরটার সাথে আমার অনেকদিনের সম্পর্ক, সেই কলেজ লাইফ থেকে। ওর শরীরের খাঁজ, পারফিউমের গন্ধের সাথে আমার প্রায় তিনবছরের পরিচিতি। কিন্তু কখনও ভাবিনি ও আমার জীবন থেকে এভাবে হারিয়ে যাবে। কাউকে নিজের কষ্টের কথাও বলারও নেই, কারণ আমার তিয়াশ যে একজন বেশ্যা... তিয়াশের ঘরখানা বেশ ছিমছাম ছিল। স্যাঁতস্যাঁতে কিন্তু স্নিগ্ধ। প্রথম প্রথম বড্ড ঘেন্না লাগত, তারপর ধীরেধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। প্রথমবার নিষিদ্ধ এলাকায় গেছিলাম নেহাত ঝোঁকের বশেই। তখন সদ্য কলেজ পাশ করেছি। ভেবেছিলাম একবার দূর থেকে দেখেই চলে আসব। কিন্তু আব্দুলের হাত থেকে নিজেকে ছাড়াতে পারিনি। ও ছিল ওখানকার দালাল। একপ্রকার জোর করেই আমার মানিব্যাগের প্রায় সাড়ে সাতশ টাকা কেড়ে নেয়। তারপর ঢুকিয়ে দেয় একটা পায়রার খুপরির মত ঘরে। সেখানেই আমার আলাপ তিয়াশের সাথে। ভেবেছিলাম কিছু না করেই চলে আসব। কিন্তু তিয়াশকে দেখে লোভ সামলাতে পারিনি। সিগারেট আর মদের মত মেয়ের নেশাটাও মারাত্মক। ওদের গায়ের গন্ধও জিভে জল এনে দেয়। তিয়াশ সেই মুহুর্তে আমার কাছে চিকেনের লেগ পিস ছাড়া আর কিচ্ছু ছিলনা। ছিঁড়েখুঁড়ে ওর শরীরটা খাই; নোখের দাগ বসিয়ে দি ওর বুকের খাঁজে। ও...

তিন নম্বর গার্লফ্রেন্ড

আমি আমার তিন নম্বর গার্লফ্রেন্ড রুবার জন্য একটা রেস্টুরেন্টে অপেক্ষা করছি।তার একটা জিনিশ আমাকে খুব মুগ্ধ করে সেটা হলো তার বিরাট লম্বা চুল। ঠিক দেড়টাই এসে সে এবারও আমাকে চমকে দিলো।তার টাইম সেন্স দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ।সে এসেই ব্যাগটা রেখে রেস্টুরেন্টের ওয়াশরুমে গেল। ১ মিনিট পরেই ফিরে এসে বললো, "আরেকটা রেস্টুরেন্টে চলো।" এটা বলেই সে হাঁটতে শুরু করলো আর আমি তার পিছু-পিছু হাঁটতে লাগলাম। আরেকটা রেস্টুরেন্টে ঢুকে সে আবার ওয়াশরুমে গেল আর কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে বললো, "এটার ওয়াশরুম ঠিকাছে।আমরা এটাতে বসতে পারি। যে রেস্টুরেন্টের ছাড়ার জায়গায়-ই অপরিষ্কার সে রেস্টুরেন্ট কেমনে ভালো খাবার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় সেটাই তো আমার মাথায় ঢুকে না!আজিব!" আমি তার এই গুণটাতে মুগ্ধ হয়ে তাকে বিয়ে করার চূড়ান্ত সিধান্ত নিয়ে ফেলেছি। রুবার সাথে আমার পরিচয় ফেসবুকে।আমি গল্প লিখতে পছন্দ করি। 'দুধ বিভ্রাট' নামে একটা রম্যগল্প আমার প্রোফাইলে পোস্ট দেওয়ার পর অনেকের মতো রুবাও আমার গল্পের তুমুল প্রশংসা করে আর কমেন্টে কথা বলতে-বলতে আমাদের বন্ধুত্ব হয়ে যায় আর তারপর প্রেম। আজ ঘরে ঢুক...

বখাটে মেয়ে

ইদানীং কিছু বখাটে মেয়ে নাকি মার্কেটের সামনে কোন ভদ্র ছেলেকে একা পেলে কাছে ডেকে শার্ট পাঞ্জাবীর মাপ নিয়ে ছেড়ে দেয়। . কথাটা শোনার পর থেকে খুব টেনশনে আছি। না জানি কোন বখাটে মেয়ের মাপের শিকার হই। আমার কয়টা ফ্রেন্ডস ও এর শিকার হইছে। এমন ভয়াবহ কর্মকাণ্ডের শিকার হওয়ার ভয়ে বাসা থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিছি।আজ চারদিন ধরে বাসার বাইরে বের হই না।টিভি অন করলেই দেখি শপিংমল গুলতে ছেলেরা কিভাবে এই মাপের শিকার হচ্ছে।মেয়েরা ছেলেদের ধরে এনে তাদের সামনে পিছনের সব যায়গা থেকে মাপ নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে।কি সাংঘাতিক ব্যাপার। ভাবা যায়? ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি এদিকে আমার এখনো কিছুই কেনা হয় নি। তার উপর আমার বন্ধুদের সবার কেনাকাটা শেষ।শুধু আমার একার বাকি। কেনাকাটা না করলে আমার তো ঈদ হবে না।আমার একা মার্কেটে যেতে ভয় করছে। তাই ঠিক করলাম আমি একা যাবো না আমার সব বন্ধুদের সাথে নিয়ে যাবো।যেই ভাবা সেই কাজ বন্ধুদের ফোন লাগাইলাম।ওরা সবাই আমার এই দুঃসময় আমার সাথে যেতে রাজি হইছে সেই খুশিতে আমার কান্না পাচ্ছে।এমন দুঃসাহসী বন্ধুদের পেয়ে এখন নিজেকে আমার গর্ভবতী মনে হচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে উঠার আগেই আমার বন্ধুরা ...

দু'বছর আগে আমাদের ব্রেকাপের তারিখ টা ছিল । (7-6-2017 ইং)

প্রেম ভালোবাসার প্রতি আমার বেশ অনীহা ছিল সেই প্রথম থেকেই। তাই এর ধারে কাছেও আমি ছিলাম না। তবুও সে প্রেম করবেই এবং তা আমার সাথেই করতে হবে। অভিনয় করতে করতে কখন যে সে আমার প্রেমে পড়ে যায় তা হয়তো এখনো অজানা রয়েই গেছে তার। যেহেতু টার্গেট ছিল আমার সাথে প্রেম করতেই হবে। প্রেমে পড়বো না বলা মানুষগুলো একসময় প্রচন্ড রকমের ভালোবাসায় মগ্ন হয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নয়। অবশেষে প্রেমে পড়লাম। প্রেমে পড়লাম নাকি প্রেম আমার উপর পড়লো সেটাও আমার জানা ছিল না। রোজ ডে"তে গোলাপ গিফট করলাম। শুরু হল আমার আর তার ভালোবাসা। কিছুদিন বেশ ভালোই চলছিলো কিন্তু হটাৎ আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম যে, আমি তাকে যতই ভালোবাসি না কেন আমার ভালোবাসায় তার যেন কোথায় একটা অপূর্ণতা রয়েই যাচ্ছে। সে যেন পূর্ণ ভালোবাসা আমার কাছ থেকে পাচ্ছে না। ওর চোখে আমি একদম স্মার্ট ছিলাম না কারণ আমি ফ্লার্টী কথাবার্তা ওর সাথে একদমই বলতে পারতাম না। সে আমার সাথে কথা বলতো প্রয়োজনে যখন সে ফ্রি থাকে তখন। কিন্তু আমি চাই কেউ একজনের শুধু প্রয়োজন না থেকে প্রিয়জন হই আর যদি সেটা নাই হয় তাহলে কেন ভালোবাসলাম। তার সাথে বসে মুখোমু...

বাসা থেকে মেয়ে দেখতেছে। বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে।

বাসা থেকে মেয়ে দেখতেছে। বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। আমার বাবা মায়ের ধারণা আমি দিন দিন উন্মাদ হয়ে যাচ্ছি। বিয়ে শাদি করিয়ে দিলে সুস্থ হয়ে যাবো। আসলে ব্যাপারটা ঠিক না, আমি এখনো সুস্থ সবল আছি। তবে বিয়েতে আমার অমত নেই শুধু একটা কন্ডিশন আছে। কন্ডিশনের কথা পরে বলছি, তার আগে বলে নেই কেন তারা মনে করছে আমি উন্মাদ হয়ে যাচ্ছি। ঘটনার শুরু বছর তিনেক আগে যেদিন ফেসবুকে একটা নিউজ আমার চোখে পড়লো। “কম সিজিপিএ পাওয়া ছাত্ররাই জীবনে সফল হয়” শিরোনামের সেই নিউজ দেখার পরে তিন বছর ভালো সিজিপিএ পাওয়া আমি পড়াশোনা প্রায় বন্ধ করে দিলাম। শেষ বর্ষে এসে টেনেটুনে সেমিস্টার পার করলাম। ফাইনালি আমার সিজিপিএ এভারেজের নিচে চলে গেলো। দুই বছর ধরে চাকরি খুঁজছি, সিজিপিএ কম থাকায় কোন চাকরি পাচ্ছি না। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস সফল আমি হবোই। বছর দুয়েক আগে ফেসবুকে আরেকটা নিউজ দেখলাম। সেখানে লেখা যারা অতিরিক্ত গালিগালাজ করে, তারা মেধাবী হয়। ছোট বেলা থেকে আমার রেজাল্ট ভালো, সবাই মেধাবী বলে। তবে ঐ নিউজ দেখার পরে নিজের মেধার উপর আর ভরসা রইলো না। আসল মেধা অর্জন করতে আমি গালিগালাজ শুরু করলাম। প্রতিবেশী বাড়িওয়ালা হারুন ভাইকে “আসসা...

আজ আমার মৃত্যুর এক বছর পূর্ণ হলো

আজ আমার মৃত্যুর এক বছর পূর্ণ হলো। ঠিক এক বছর আগে আমি আমার ভালোবাসার মানুষটার সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছিলাম। অভিমান হবে না কেন বলো?? চার বছর রিলেশনের পর ও এসে বলে আমাকে নাকি ওর বাড়ির লোকেরা পছন্দ করবে না। কারণ আমি খাটো, মোটা। কই এতোদিন তো একবারও এই কথা বলেনি। ফিজিক্যালি যখন আমাকে বাধ্য করত তখন কেন বলেনি?? উল্টো আমাকে মিথ্যে বিয়ের আশ্বাস দিতো। আবেগে পড়ে সব বিশ্বাস করতাম। অনেক রিকোয়েস্ট করেছি, হাতে পায়ে ধরেছি তারপরও বিয়ে করতে রাজি হয়নি। বলে কিনা ফ্যামিলির পছন্দেই ও বিয়ে করবে। বলেই চলে গেল, পিছু ফিরে একবার দেখলোও না। কোনো এক শুক্রবারে ওর বিয়ে হয়ে গেল। আমি এটা মেনে নিতে পারিনি। ওর জন্য বাবা মায়ের অবাধ্য হয়েছিলাম। ঠিকমতো পড়ালেখা করতাম না, কোচিং এর নাম করে সারাদিন ওর সাথে ঘুরতাম। একবার ওর টাকার খুব দরকার ছিল। বাসা থেকে চুরি করে টাকা এনে দিয়েছিলাম। এতো কিছু করেও আমি ওকে পেলাম না। আমাকে মাঝপথে ফেলে রেখে চলে গেল। সারাদিন রাত শুধু কাঁদতাম। পড়ালেখা মোটেও করিনি। পরীক্ষায় করলাম ফেল। আব্বা খুব বকাঝকা করলো। বড়ভাই খুব মারধর করলো। এত প্রেশার আমি নিতে পারিনি। সেদিন রাতেই আমি ...

আমাকে বিয়ে করবে

আমার গার্লফ্রেন্ড হুজুগ তুলেছে আমাকে বিয়ে করবে ৷ আমি বলে দিয়েছি বিয়ে করলে কাজের মেয়ে করে রাখবো কারণ আম্মু কাজের মেয়ে ভালবাসে ৷ সে এতেও নাকি রাজি, তবুও সে আমার বউ হবে ৷ নাহ, তাকে এমন কথা বলেও মাথা থেকে বিয়ের ভূত ছাড়াতে পারলাম না ৷ . কয়েকদিন পর, খবর পেলাম আমাদের বাসার কাজের মেয়ে ছকিনা পাশের বাসার ড্রাইভার মফিজের সাথে পালিয়ে গেছে ৷ এই কারণে আম্মা হাউমাউ করে কাঁদছে ৷ তার কান্নার ধরণ পুরাই সিনেমাটিক! গ্রামে যেভাবে মেয়েরা তাদের স্বামী মারা গেলে কান্দে, আমার আম্মাও তেমনিভাবে বিলাপ করতে করতে কাঁদছে, ঠিক এভাবে, ____আমার কি সর্বনাশটা হইয়া গেলোরেএএএ, ও ছকিনা তুই কেন পালাইয়া গেলিরেএএএ? তোর মতো এত ভাল কাজের মেয়ে আর কি পামুরেএএএ, ও আমার ছকিনারেরেরে! মরার ছকিনা তোর বিয়ে করার শখ জাগছিল আমারে বলতে পারতিসরে, তুই কেন পালাইয়া গেলিরেএএএ? ও ও ও ও আল্লাহ! কি সর্বনাশ করলা! আমারে ছকিনারে ফিরায়া দাও! . আম্মার এমন কান্না দেখে আমার সহ্য হলোনা ৷ আমিও তার সাথে কাঁদতে লাগলাম ৷ তারপর বললাম, ____আম্মা, চিন্তা করছো কেন? ছকিনার চেয়ে সুন্দরী, মার্জিত, মেধাবী,...

বসুন্ধরা সিটিতে একটা নাদুস-নুদুস কিউট বাচ্চা

বসুন্ধরা সিটিতে একটা নাদুস-নুদুস কিউট বাচ্চাকে দেখে আদর করার লোভ সামলাতে পারলাম না।। আমার সামনে দিয়ে বাচ্চার মা, বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো, আর বাচ্চাটা ঘুরে পিছনে তাকিয়ে খেলা করছে।। আমি একটু দ্রুত পায়ে হেঁটে বাচ্চাটার উপর একপ্রকার হামলে পড়লাম।। শুরুতেই নরম গালদুটো টেনে লাল করে দিতে দিতে মুখ দিয়ে অদ্ভুত আদুরে শব্দ করছি- ও লে, সোনা বাবু লে।। উ লু গু লু গু লু উ লু।। টু টু টু টু টি টি টি টি…… বাচ্চাটার মা চট করে ঘুরে তাকালো।। এইবার আমার হার্টবিট দুইদফায় চারবিট মিস্ করে বসলো।। এটা আমি কি দেখলাম, এই বাচ্চার মা তো আর কেউ না, এ যে আমার প্রাক্তন প্রেমিকা মিলা।। মিলাও আমাকে দেখে কেমন আঁতকে উঠলো।। আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বেরুচ্ছে না।। কথা না বের হবারই কথা, মাত্র তিন বছর আগে ব্রেকাপ হয়ে গেছে আমাদের, এর মধ্যে মিলা বিয়েসাদী করে রীতিমত এমন একটা কিউট বাচ্চার মা হয়ে গেছে।। আর আমি কিনা এখনো, অন্যের বাচ্চা দেখে জিভ বের করে আদর করার জন্যে চুক চুক করি।। মিলা ধমকের সুরে বলে বসলো- কি সমস্যা আপনার?? আমি বিব্রত গলায় বললাম- না, কিছু না, তোমার বাচ্চাটা অনেক কিউট হইছে।। মিলা চড়া গল...

তুই কি আমায় সত্যিই ভালোবাসিস?

গল্পটা লিখতে গিয়ে আমার চোখেও জল এসেছিল } একই বেঞ্চের দুই প্রান্তে দুইজন চুপচাপ বসে আছে। মনে হচ্ছে এখানে ওরা নিরবতা পালন করতেই এসেছে। কিছুক্ষণ পরে উর্মি বলে উঠলো, - আচ্ছা জনি, তুই কি আমায় সত্যিই ভালোবাসিস? -- হুম, কেনো তাতে কোনো সন্দেহ আছে তোর? -- আছেই তো, আমি দেখা করার কথা বললে কোনদিন তুই সময় মতো এসেছিস বলতো, কমপক্ষে আধা ঘন্টা দেরি হবেই হবে তোর, কিন্তু কেন ? -- হা,হা,হা" এই কথা? -- হাসছিস না, মিথ্যুক, ভন্ড, পাজি! --হুম, মিথ্যুক, ভন্ড আর পাজি হলেও, প্রত্যেকবারই ঠিক সময় এসে আড়ালে দাড়িয়ে, ঐ সময়টুকু তোকে দুচোখ ভরে দেখি। -- কেনো, লুকিয়ে দেখতে হবে কেনো? -- লুকিয়ে লুকিয়ে যখন দেখি তুই আমার অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছিস, তখন মনে হয় আমি কতো ভাগ্যবান, আমার পথ চেয়েও কেউ বসে থাকে, মনে হয় জীবন আমার ধন্য, তোর ভালোবাসা পেয়ে। -- হইছে হইছে, এবার থাম। -- বিশ্বাস কর উর্মি, ধীরে ধীরে আমি তোর প্রেমের নেশায় এতটাই আসক্ত হয়ে গেছি যে, তোকে হারালে হয়তো পাগল হয়ে জাবো, নয়তো পৃথিবী ছেড়ে চলে জাবো। -- এবার তুই থামবি জনি, একটা কথা জেনে রাখ, তোকে হারালে আমি নিজেই পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে ...

৭টাকার মেহমান

হঠাৎ কোথা থেকে ব্লু জিন্স আর সাদা কালোর সংমিশ্রনের টিশার্ট পড়া এক লম্বা যুবতী মেয়ে আমাদের দোকানের ভেতরে প্রবেশ করলো। হাতে একখানা প্রায় ৬ ইঞ্চির মতো মোটা বই,আমি বিস্ময়ের সাথে বইটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে সে আমার থেকে এক হাত দূরে থাকা আসনটিতে বসলো। আমাদের দোকানটা ছিলো ডিপার্টমেন্টাল স্টোর,চাল,ডাল,চিনি,লবন,সব ধরনের রিচার্জ বিকাশ,কসমেটিক্স, হরেক খাদ্যসামগ্রী দিয়ে ভরা থাকতো দোকান। আমি অনেকটা অপ্রস্তুত হয়ে তার মুখের দিকে তাকালাম,সে ভারি বইখানা সামনে থাকা টেবিলে রাখলো, আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো,খাওয়ার কি আছে? আমি উলটো তাকে প্রশ্ন করলাম আপনি কি খাবেন ? মেয়ে-আমার অনেক ক্ষুধা লেগেছে। আমি-ও খাওয়ার মতো বিস্কুট আছে,কেক আছে,সফট ড্রিংক,কোল্ড ড্রিংক আছে। মেয়ে-ওসব খেয়ে কি পেট ভরবে? আমি-পরিমাণ মতো খেলে তো পেট ভরবে। আর তাতেও যদি পেট না ভরে সামনের দিকে তিন চারটা পাশাপাশি হোটেল আছে,ওখানে গিয়ে খেতে পারেন। মেয়েঃ ধুর হোটেলের পরিবেশ ভালো থাকে না। আর হোটেলে কি কি রান্না হয়? আমিঃ হোটেল হিসেবে আলাদা আলাদা রান্না হয় আর সেগুলো যে সবসময় পাওয়া যায় তাও নয়। মেয়েঃথাক আমার ওতো কিছু জেনে ল...

সত্য_ঘটনা_অবলম্বনে_লিখিত।

দীর্ঘদিনের রিলেশন ব্রেকাপ করে বিয়ে করেছিলাম বাবার পছন্দের ছেলের সাথে৷ বাবার ডিসিশনের সামনে নিজের ডিসিশন রাখার সাহস কখনো হয়নি তাই হয়তো ভাগ্যকে মেনে নিয়ে অপরিচিত মানুষের হাত ধরে চলে এসেছিলাম একদম নতুন পরিবেশে৷ প্রাক্তনের কি অবস্থা জানতে চাইলেও আশেপাশে এতো লোকজন যে খোঁজ নিতেই পারলামনা। অবশ্য আমি জানতাম সে খুব বেশি কষ্টে থাকলে দরজা বন্ধ করে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকে। আজও তাই করছে৷ একমিনিট সে থাকতে পারেনা আমাকে ছাড়া। প্রাক্তনের কথা ভাবতে ভাবতে মনমরা হয়ে বসেছিলাম। এমন সময় আমার স্বামী এসে বসলেন আমার পাশে। আস্তে করে নামাজটা পড়ে নিতে বললেন। কিছু বলতে পারলামনা। নামাজ পড়ে এসে উনার পাশে বসলাম। কিছুক্ষণ কথপোকথন করার পর জানতে পারলাম তিনিও পারিবারিক চাপে বিয়ে করেছেন। ভরসা পেলাম। আমার কথাও জানালাম৷ তিনি কেমন যেন আশ্বস্ত হয়ে বললেন সমস্যা নেই দুজনেরই উচিত একটু সময় নেওয়া৷ হুম্ম! সময় নিলাম। সংসারজীবনে দুজনের ভালো বন্ডিং হলেও দুজনই প্রাক্তনের স্মৃতি থাকে বের হতে পারিনি৷ আমার স্বামী এককথায় খুব ভালো মানুষ। চারমাসের সংসারে বুঝতে পারলাম তিনি আমার প্রতি দুর্বল হয়ে যাচ্ছেন। পরে জানত...

প্রাক্তন প্রেমিকা

টাইমলাইন ঘাটতেই প্রাক্তন প্রেমিকার রিলেশনশিপ স্টাটাস চোখে পরলো। অনেকদিন প্রাক্তনের আইডিতে যাইনা। তাই আজ গেলাম। সব পোস্ট দেখলাম, ভালোই সুখে আছে। নিজের আইডি থেকে সব পোস্টে হাহা রিয়াক্ট দিলাম। সাথে সাথে প্রাক্তনের মেসেজ.... . -সমস্যা কি তোমার? . --নেহি সমস্যা। . -আমার সব পোস্টে হাহা রিয়াক্ট দিচ্ছ কেনো? . --হাহা রিয়াক্টের অপশন আছে বিধায় দিছি। . -দেখো, তুমি আমার সাথে ফাজলামো করবানা। . --তো কিচ্চে? . -ব্লক করে রাখবো। . --সাহস থাকলে করে দেখা। . -টুটটুট.... . You can't reply to this conversation..... learn more . গালি দিয়ে মেসেজ ব্লক করে রাখলো। মেজাজ টনটন করে উঠলো। ব্রেকআপ হওয়ার পর আজ পর্যন্ত প্রাক্তনরে নিয়া একটাও বাজে পোস্ট দেইনি। আর আজকে হাহা রিয়াক্ট দেওয়াতে ব্লক। ইহা মানতাম না। দৌঁড়ে বাজারে গেলাম। বাজার থেকে ৭ প্যাকেট বিরিয়ানি আনলাম। আমিও ৪ প্লেট বিরিয়ানি খেয়ে আসলাম। রুমমেট সব ফ্রেন্ডকে বিরিয়ানি দিলাম। বিরিয়ানি পেয়ে বন্ধুদের একেক জনের চোখ ফুটবলের মতন বড় হয়ে গেলো। এক ফ্রেন্ড বলল.... . --কিরে কাহিনী কি? . -আগে বিরিয়ানি খা হ্লা। . --আগে বলতো। . তা...

একটা_সত্যি ঘটনা_বলছি

আমার_লাইফে_ঘটে_যাওয়া_একটা_সত্যি ঘটনা_বলছি 😒 😒 😒 😒 😒 কুমিল্লার একটা রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে এক সুন্দরী ললনার দেখা পেলাম, দেখতে কিন্তু অনেক কিউট ছিলো। 😍 কিন্তু দেখে খুব চিন্তিত মনে হচ্ছিলো। আমি সামনে গিয়ে বসলাম। যাই হোক সে নিজেই আমতা আমতা করে কথা শুরু করলো সে-- হ্যালো, আমি পায়েল 😊 আমি- হাই, আমি জনি। বুঝতে বাকি নাই যে সে কোনো সমস্যায় পড়েছে 😒 জিজ্ঞাস করলাম, জি বলুন কি সাহায্য করতে পারি? সে-- ইয়ে মানে আমি কি আপনার মোবাইল থেকে একটা কল করতে পারি? আমি-কেনো আপনার মোবাইল নেই? 😨 সে- আসলে পরিবার আমাকে আমার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দিতে চাইছে, তাই আমি পালিয়ে এসেছি, যাবো ঢাকা খালার বাসায়, কিন্তু মাঝ পথে বাস থামলো ১৫ মিনিট এর বিরতি দিয়ে খাওয়া শেষে দেখি বাস টা মিস, আর আমার কাছে কোনো টাকা নেই + মোবাইলেও ব্যালেন্স নেই। আমি--- ওহ আচ্ছা, হুম নিন মোবাইল। ফোন দিয়েই কল দিলো খালাকে, বিকাশে টাকা দিতে বললো, যাক টাকা টা পেয়ে কিছুটা চিন্তা মুক্ত হলো মেয়েটা। এর পর ঢাকার পথের বাস যেগুলো ১৫-২০ মিনিটের বিরতি নিয়ে থামে সেখানে একটা খালি সিট পেয়ে কথা বলে উঠে গেলো। আমিও আর কি আমার গন্তব্যে চলে...

আজ পাগলীটার বিয়ে

আজ আমার পাগলীটার বিয়ে ৷ আজকের পর হয়ত পাগলীটার উপর কোনো অধিকার ই থাকবে না ৷ অবশ্য অধিকার কোনো কালেই খুব একটা যে ছিলো তেমনও না৷ যা ছিলো আজ সেটাও হারাবো ৷ এটাই ত স্বাভাবিক। অন্যের বউ এর উপর আমার কিসের আবার অধিকার। পাগলী? এটা আমার দেয়া নাম। আসল নাম লিজা ৷ আমিই ডাকতাম পাগলী বলে ৷ বড্ড পাগলী টাইপের মেয়ে। তাই! এইত বছর তিনেক আগে আমাদের পরিচয়টা হয় জুকারবার্গ এর ফেইসবুকের মাধ্যমে ৷ লিজার সাথে পরিচয় হয় নীল রঙ এর ফেইসবুকের কল্যানে। আর সেটার পরিনতিও নীল বর্ণের মত বেদনা লাভের মাধ্যমে৷ এটা হয়ত কো ইন্সিডেন্ট৷ থাক। যাক গা এসব! শুরুর দিকের সময়টা একটু কেমন যেনো ছিলো। কিভাবে আমি এড পাঠালাম আর কিভাবেই বা চ্যাট শুরু সব কিছুই দুজনের অজান৷ প্রথমদিকে আমাদের চ্যাট হত শুধু মাত্র তার মাই ডে আর আমার মাই ডে ছবি নিয়ে। সে দিত তার সুন্দর সুন্দর সব ছবি আর আমি দিতাম আমার শখের পাখির ছবি৷ পাগলীটারও এক জোড়া পাখি ছিলো৷ কিন্তু ডিম দিতো না। এই পাখির কল্যানে লিজা আমার জীবনে আশা শুরু করে। পাখির টপিক থেকে চলে আসতে আসতে বন্ধুত্বের দিকে। একদিন হুট করেই পাগলীটা বলে চলেন মিট করি। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি৷ আমি ঢা...