ইদানীং কিছু বখাটে মেয়ে নাকি মার্কেটের সামনে কোন ভদ্র ছেলেকে একা পেলে কাছে ডেকে শার্ট পাঞ্জাবীর মাপ নিয়ে ছেড়ে দেয়।
.
কথাটা শোনার পর থেকে খুব টেনশনে আছি। না জানি কোন বখাটে মেয়ের মাপের শিকার হই।
আমার কয়টা ফ্রেন্ডস ও এর শিকার হইছে।
এমন ভয়াবহ কর্মকাণ্ডের শিকার হওয়ার ভয়ে বাসা থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিছি।আজ চারদিন ধরে বাসার বাইরে বের হই না।টিভি অন করলেই দেখি শপিংমল গুলতে ছেলেরা কিভাবে এই মাপের শিকার হচ্ছে।মেয়েরা ছেলেদের ধরে এনে তাদের সামনে পিছনের সব যায়গা থেকে মাপ নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে।কি সাংঘাতিক ব্যাপার। ভাবা যায়?
ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি এদিকে আমার এখনো কিছুই কেনা হয় নি।
তার উপর আমার বন্ধুদের সবার কেনাকাটা শেষ।শুধু আমার একার বাকি। কেনাকাটা না করলে আমার তো ঈদ হবে না।আমার একা মার্কেটে যেতে ভয় করছে।
তাই ঠিক করলাম আমি একা যাবো না আমার সব বন্ধুদের সাথে নিয়ে যাবো।যেই ভাবা সেই কাজ বন্ধুদের ফোন লাগাইলাম।ওরা সবাই আমার এই দুঃসময় আমার সাথে যেতে রাজি হইছে সেই খুশিতে আমার কান্না পাচ্ছে।এমন দুঃসাহসী বন্ধুদের পেয়ে এখন নিজেকে আমার গর্ভবতী মনে হচ্ছে।
সকালে ঘুম থেকে উঠার আগেই আমার বন্ধুরা আমার বাসায় হাজির।
আজ বাদে কাল ঈদ। তাই আমার দলবল নিয়ে বেরিয়ে পরলাম মার্কেটের উদ্দেশ্যে।
মার্কেটে সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছি ভিতরে ঢুকার সাহস পাচ্ছি না।
তখন আমার এক বন্ধু বলল
দাঁড়িয়ে আছিস কেন ভিতরে চল
আর ভয় কিশের আমরা তো আছি।
ওহ তাই তো আমি ভয় পাচ্ছি কেন
আমার সাথে আমার বন্ধুরা তো আছেই।
এই বলে বন্ধুদের কাছ থেকে ১ কেজি সাহস ধার নিয়ে মার্কেটের ভিতরে প্রবেশ করলাম।
ভেতরে ঢুকার পর থেকে খেয়াল করলাম ২ টা মেয়ে এদিকে তাকিয়ে আছে। তাদের তাকানোর দৃষ্টিভঙ্গি দেখেই আমার গলাটা শুকিয়ে গেল।
কিছু বুঝে উঠার আগেই তার মধ্যে একটা মেয়ে আমায় ডাক দিল
-এই যে ভাইয়া
-দেখ ভাই তোদের ডাকে
একি ওরা সব কই গেল শালারা সব গুলা আমারে রাইখা ভাগছে।
এখন আমি কি করমু?
আমিও ঠিক করলাম এক দৌর দিমু
কিন্ত এর মধ্যে আবার ডাক দিল তাই ভাবলাম গিয়ে দেখি যা হওয়ার হবে।
-জ্বী বলুন
-এইখানে একটু দাঁড়ান
এই বলে একটা পাঞ্জাবী বের করে আমার গায়ের সাথে ধরে তার বান্ধুবিকে বলল এটা কেমন?
হুম ঠিক আছে।
তারপর আর একটা শার্ট নিয়ে আবার একই ভাবে দেখল।
আর একটা প্যান্ট ও নিলো।
তারপর দোকানদারকে প্যাকিং করতে বলল।
আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না
যে এগুলা তার বফ এর জন্য নিচ্ছে।
এই মূহুর্তে আমার ছেলেটার প্রতি প্রচুর হিংসে হচ্ছে।
কারণ শার্ট,প্যান্ট আর পাঞ্জাবী টা আমার বেশ পছন্দ হইছে।
প্যাকিং শেষে মেয়েটি দোকানদারের সাথে দামাদামি করছিল আর আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম
দোকানদার:- আপা আপনার কাছে বেশি দাম নিমু না সব মিলিয়ে ৬ হাজার দিন।
মেয়েটি:-কি বলেন ৬ হাজার টাকা
আপনি তো বেশী চাচ্ছেন।
দোকানদার:- আরে না আপা আমি কমই চাইছি আচ্ছা তাহলে ৫৫০০ টাকা দেন
মেয়েটি:-না ২৫০০ টাকার বেশি এক টাকাও দিবো না।
দোকানদার:-তা হবে না আপনি বরং ৩ হাজার দিন।
-না যা বলছি তার বেশী এক টাকাও না।
মেয়েটার এমন দামাদামি দেখে আমি রীতিমত অবাক হচ্ছি।
মনে হচ্ছে দোকানদার ২৫০০ টাকায়ই দিয়ে দিবে।না এ হতে পারে না আমাকেই কিছু করতে হবে।
দোকানদার কিছু বলার আগেই মানিব্যাগটা বের করে বললাম
-আচ্ছা ভাই এই নেন আর ১০০ বাড়িয়ে ২৬০০ দিলাম।
দোকানদার টাকাটা ধরার সাথে সাথে প্যাকিং করা ব্যাগটা নিয়ে হাটা শুরুকরলাম।মার্কেট থাকে বেরিয়ে তাড়াতাড়ি একটা রিক্সা নিছি।
মেয়েটা আমাকে হয়তো কিছু বলতে চেয়েছিল মেয়েটির দুর্ভাগ্যবসত তখন আমার কানের নেটওয়ার্ক আপ ডাউনের কারনে কিছুই শুনতে পাইনি।
এখন মেয়েটার জন্য খুব মায়া হচ্ছে কারণ মেয়েকে আবার আমার মতো কোন ভদ্র ছেলেকে ভাইয়া বলে ডাকতে হবে।
.
কথাটা শোনার পর থেকে খুব টেনশনে আছি। না জানি কোন বখাটে মেয়ের মাপের শিকার হই।
আমার কয়টা ফ্রেন্ডস ও এর শিকার হইছে।
এমন ভয়াবহ কর্মকাণ্ডের শিকার হওয়ার ভয়ে বাসা থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিছি।আজ চারদিন ধরে বাসার বাইরে বের হই না।টিভি অন করলেই দেখি শপিংমল গুলতে ছেলেরা কিভাবে এই মাপের শিকার হচ্ছে।মেয়েরা ছেলেদের ধরে এনে তাদের সামনে পিছনের সব যায়গা থেকে মাপ নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে।কি সাংঘাতিক ব্যাপার। ভাবা যায়?
ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি এদিকে আমার এখনো কিছুই কেনা হয় নি।
তার উপর আমার বন্ধুদের সবার কেনাকাটা শেষ।শুধু আমার একার বাকি। কেনাকাটা না করলে আমার তো ঈদ হবে না।আমার একা মার্কেটে যেতে ভয় করছে।
তাই ঠিক করলাম আমি একা যাবো না আমার সব বন্ধুদের সাথে নিয়ে যাবো।যেই ভাবা সেই কাজ বন্ধুদের ফোন লাগাইলাম।ওরা সবাই আমার এই দুঃসময় আমার সাথে যেতে রাজি হইছে সেই খুশিতে আমার কান্না পাচ্ছে।এমন দুঃসাহসী বন্ধুদের পেয়ে এখন নিজেকে আমার গর্ভবতী মনে হচ্ছে।
সকালে ঘুম থেকে উঠার আগেই আমার বন্ধুরা আমার বাসায় হাজির।
আজ বাদে কাল ঈদ। তাই আমার দলবল নিয়ে বেরিয়ে পরলাম মার্কেটের উদ্দেশ্যে।
মার্কেটে সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছি ভিতরে ঢুকার সাহস পাচ্ছি না।
তখন আমার এক বন্ধু বলল
দাঁড়িয়ে আছিস কেন ভিতরে চল
আর ভয় কিশের আমরা তো আছি।
ওহ তাই তো আমি ভয় পাচ্ছি কেন
আমার সাথে আমার বন্ধুরা তো আছেই।
এই বলে বন্ধুদের কাছ থেকে ১ কেজি সাহস ধার নিয়ে মার্কেটের ভিতরে প্রবেশ করলাম।
ভেতরে ঢুকার পর থেকে খেয়াল করলাম ২ টা মেয়ে এদিকে তাকিয়ে আছে। তাদের তাকানোর দৃষ্টিভঙ্গি দেখেই আমার গলাটা শুকিয়ে গেল।
কিছু বুঝে উঠার আগেই তার মধ্যে একটা মেয়ে আমায় ডাক দিল
-এই যে ভাইয়া
-দেখ ভাই তোদের ডাকে
একি ওরা সব কই গেল শালারা সব গুলা আমারে রাইখা ভাগছে।
এখন আমি কি করমু?
আমিও ঠিক করলাম এক দৌর দিমু
কিন্ত এর মধ্যে আবার ডাক দিল তাই ভাবলাম গিয়ে দেখি যা হওয়ার হবে।
-জ্বী বলুন
-এইখানে একটু দাঁড়ান
এই বলে একটা পাঞ্জাবী বের করে আমার গায়ের সাথে ধরে তার বান্ধুবিকে বলল এটা কেমন?
হুম ঠিক আছে।
তারপর আর একটা শার্ট নিয়ে আবার একই ভাবে দেখল।
আর একটা প্যান্ট ও নিলো।
তারপর দোকানদারকে প্যাকিং করতে বলল।
আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না
যে এগুলা তার বফ এর জন্য নিচ্ছে।
এই মূহুর্তে আমার ছেলেটার প্রতি প্রচুর হিংসে হচ্ছে।
কারণ শার্ট,প্যান্ট আর পাঞ্জাবী টা আমার বেশ পছন্দ হইছে।
প্যাকিং শেষে মেয়েটি দোকানদারের সাথে দামাদামি করছিল আর আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম
দোকানদার:- আপা আপনার কাছে বেশি দাম নিমু না সব মিলিয়ে ৬ হাজার দিন।
মেয়েটি:-কি বলেন ৬ হাজার টাকা
আপনি তো বেশী চাচ্ছেন।
দোকানদার:- আরে না আপা আমি কমই চাইছি আচ্ছা তাহলে ৫৫০০ টাকা দেন
মেয়েটি:-না ২৫০০ টাকার বেশি এক টাকাও দিবো না।
দোকানদার:-তা হবে না আপনি বরং ৩ হাজার দিন।
-না যা বলছি তার বেশী এক টাকাও না।
মেয়েটার এমন দামাদামি দেখে আমি রীতিমত অবাক হচ্ছি।
মনে হচ্ছে দোকানদার ২৫০০ টাকায়ই দিয়ে দিবে।না এ হতে পারে না আমাকেই কিছু করতে হবে।
দোকানদার কিছু বলার আগেই মানিব্যাগটা বের করে বললাম
-আচ্ছা ভাই এই নেন আর ১০০ বাড়িয়ে ২৬০০ দিলাম।
দোকানদার টাকাটা ধরার সাথে সাথে প্যাকিং করা ব্যাগটা নিয়ে হাটা শুরুকরলাম।মার্কেট থাকে বেরিয়ে তাড়াতাড়ি একটা রিক্সা নিছি।
মেয়েটা আমাকে হয়তো কিছু বলতে চেয়েছিল মেয়েটির দুর্ভাগ্যবসত তখন আমার কানের নেটওয়ার্ক আপ ডাউনের কারনে কিছুই শুনতে পাইনি।
এখন মেয়েটার জন্য খুব মায়া হচ্ছে কারণ মেয়েকে আবার আমার মতো কোন ভদ্র ছেলেকে ভাইয়া বলে ডাকতে হবে।
Comments
Post a Comment