Skip to main content

Posts

মানুষটাকে প্রথম দেখায় আমি প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম...

মানুষটাকে প্রথম দেখায় আমি প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম....আপনাদের ভাষায় ওটা ক্রাশ হতে পারে কিন্তু আমি জানি.... ই অনুভূতিটার ভাবার্থটা কি ছিলো....লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে সোজাসুজি মানুষটাকে বলেছিলাম তোমার নথ হতে চাই....ফিরিয়ে দিয়েছিলো আমাকে......হয়ত অতীতের পাওয়া কষ্টটাকে নতুনভাবে পেতে চায় নি তাই....! যে মানুষটার চোখ জোড়া দেখে আপনার তার প্রতি প্রচন্ড মায়া জন্মেছিলো.... আপনি জানেন না সেই চোখের মায়ায় একটা সময় কেউ হাবুডুবু খেত....এখন চোখের দিকে তাকালেই সূর্যের প্রখর আলোর প্রয়োজন পড়ে না চোখ ঝাপসা করা জলগুলো চিকচিক করতে থাকে....তাই নতুন স্বপ্ন ঐ জলেই ভেসে যায়! রিক্সায় বা পাশাপাশি চলার সময় আঙ্গুলের ভাজে আটকে রাখা মানুষটা এখন কারও সাথে হাত মিলাতে বড্ড ভয় পায় কারণ কেউ খুব শক্ত করে আটকে রেখেছিলো হাতজোড়া প্রতিশ্রুতি ছিলো কোনদিন ছেড়ে যাবো না তোমাকে.....যায় নি সে তাই তো এখন ঐ হাতে ঘুমের ট্যাবলেট ছাড়া কিছু ওঠে না.... টোল পড়া হাসিতে আমি বরাবর ক্রাসিত কিন্তু এখন মুখটা আর হাসতে পারে না....খরচ হয়ে গেছে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত সেল নাম্বারে এখন রিসিভ হয় না ফোনটা পেঁচার মতন মুখটাকে লুকিয়ে রাখতে ভালোবাসে মা...
Recent posts

মেয়ে

মার্কেটে মেয়েদের কস্মেটিক্স এর দোকানে বসে আছি। একের পর এক কাস্টমার আসছে আর নতুন কিছু শিখছি। ৯৫% ই মেয়ে। মাঝে মাঝে অনেক হাসিও পাচ্ছে কিছু কিছু ঘটনা দেখে। তাই বলতে যাবো এখন। প্রথমে আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই। আমি জনি অনার্স প্রথম বর্ষ। রোজার মাস তাই ভার্সিটি বন্ধ। আমার আম্মুর কথা ছেলে মানুষ বাসায় থেকে কি করবি। 😑 রাস্তা ঘাটে বের হো, মানুষদের সাথে কথা বল কিছু শিখ। তাই এই রোজার মাসে মামার দোকানে পাঠিয়ে দিয়েছে। এক কথায় বিনা বেতনে কলুর বলদের মতো খাটতে হয়। এর আগে মামার দোকানে তেমন আসা হয় নি, ৭ মাস হলো নতুন মার্কেট। তবে বেশ আগ্রহ নিয়েই কসমেটিকস এর দোকানে আসা। এর আগের বছর আমার বন্ধু এই রকম দোকানে কাজ করে কয়েকজন জাস্ট ফ্রেন্ড বানায় 😋 । আমিও একই উদ্দেশ্যে আসি। যদিও এখন ২ নাম্বার Gf আছে। প্রথম টার সাথে ব্রেকআপ হয়েছে ৬ মাস, আর নতুন টা ১ মাস হলো রিলেশন করছি। কিন্তু জাস্ট ফ্রেন্ড রাখতে সমস্যা কি 🙄 । সবাই কম বেশি রাখে আমিও না হয় রাখলাম 😇 । এইবার মূল ঘটনা তে আসি সকাল সকাল মামার সাথে দোকানে আসি। এসে সব ঠিকঠাক করি আরো কয়েকজন ছেলে আছে দোকানে । প্রথমে আসে একজন ভদ্রমহিলা তার...

একটি নীরব চিৎকার! 💔 ২৩ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড.

আমার আর্মিতে জয়েনের দিনই আমাকে কিছু কড়া ইন্সট্রাকশন দেয়া হয়। কটু কথাও শুনতে হয় আমার ফিটনেস নিয়ে। লম্বার দিক দিয়ে খারাপ না থাকলেও, আমার স্বাস্থ্য আর্মিসূলভ ছিল না। এমনিতেও বাড়িতে খাওয়াদাওয়াতে প্রচুর অনিয়ম করেছি। সেই অনিয়মের জন্য কোনও কথা শুনতে হয় নি। আজ শুনতে হচ্ছে। ইন্সট্রাকশনের কতগুলো পয়েন্ট এখানে তুলে ধরি, নিজের মোবাইল ফোন অফিসে জমা রাখতে হবে। তিন মাসের ট্রেনিং এ একবারও মোবাইল চাওয়া যাবে না। অফিসারের প্রত্যেকটা কথা শুনতে হবে। অফিসার যদি বলে পাহাড়ে উঠে লাফ দিয়ে মরে যাও, পাহাড়ে উঠে লাফ দিয়ে মরে যেতে হবে। প্রশ্ন করা যাবে না। বাড়িতে ফোন করার জন্য বারবার রিকুয়েস্ট করা যাবে না ও খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ি থেকে আসা ফোন ওকে দেয়া হবে না ট্রেনিং সেশনের সময়। এ জন্য কোনও কমপ্লেইন করা যাবে না। অসুস্থ্য হওয়া যাবে না। অজুহাত নামের হাত কেটে ফেলে দিতে হবে। আমার জন্য অন্যরকম একটা ইন্সট্রাকশন দেয়া হলো। সারাদিনে ২০০ টা পুশ আপ দিয়ে অফিসার কে রিপোর্ট করতে হবে। এই দুইশো পুশ আপের জন্য আমাকে এক ঘন্টা সময় দেয়া হবে। অনেক কথা বলা হলো, অথচ আমার পরিচয় দেয়া হয় নি। আমার নাম তারিফ, থাকি য...

সময়_থাকলে_পড়ে_দেখতে_পারেন

তিয়াশের শরীরটার সাথে আমার অনেকদিনের সম্পর্ক, সেই কলেজ লাইফ থেকে। ওর শরীরের খাঁজ, পারফিউমের গন্ধের সাথে আমার প্রায় তিনবছরের পরিচিতি। কিন্তু কখনও ভাবিনি ও আমার জীবন থেকে এভাবে হারিয়ে যাবে। কাউকে নিজের কষ্টের কথাও বলারও নেই, কারণ আমার তিয়াশ যে একজন বেশ্যা... তিয়াশের ঘরখানা বেশ ছিমছাম ছিল। স্যাঁতস্যাঁতে কিন্তু স্নিগ্ধ। প্রথম প্রথম বড্ড ঘেন্না লাগত, তারপর ধীরেধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। প্রথমবার নিষিদ্ধ এলাকায় গেছিলাম নেহাত ঝোঁকের বশেই। তখন সদ্য কলেজ পাশ করেছি। ভেবেছিলাম একবার দূর থেকে দেখেই চলে আসব। কিন্তু আব্দুলের হাত থেকে নিজেকে ছাড়াতে পারিনি। ও ছিল ওখানকার দালাল। একপ্রকার জোর করেই আমার মানিব্যাগের প্রায় সাড়ে সাতশ টাকা কেড়ে নেয়। তারপর ঢুকিয়ে দেয় একটা পায়রার খুপরির মত ঘরে। সেখানেই আমার আলাপ তিয়াশের সাথে। ভেবেছিলাম কিছু না করেই চলে আসব। কিন্তু তিয়াশকে দেখে লোভ সামলাতে পারিনি। সিগারেট আর মদের মত মেয়ের নেশাটাও মারাত্মক। ওদের গায়ের গন্ধও জিভে জল এনে দেয়। তিয়াশ সেই মুহুর্তে আমার কাছে চিকেনের লেগ পিস ছাড়া আর কিচ্ছু ছিলনা। ছিঁড়েখুঁড়ে ওর শরীরটা খাই; নোখের দাগ বসিয়ে দি ওর বুকের খাঁজে। ও...

তিন নম্বর গার্লফ্রেন্ড

আমি আমার তিন নম্বর গার্লফ্রেন্ড রুবার জন্য একটা রেস্টুরেন্টে অপেক্ষা করছি।তার একটা জিনিশ আমাকে খুব মুগ্ধ করে সেটা হলো তার বিরাট লম্বা চুল। ঠিক দেড়টাই এসে সে এবারও আমাকে চমকে দিলো।তার টাইম সেন্স দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ।সে এসেই ব্যাগটা রেখে রেস্টুরেন্টের ওয়াশরুমে গেল। ১ মিনিট পরেই ফিরে এসে বললো, "আরেকটা রেস্টুরেন্টে চলো।" এটা বলেই সে হাঁটতে শুরু করলো আর আমি তার পিছু-পিছু হাঁটতে লাগলাম। আরেকটা রেস্টুরেন্টে ঢুকে সে আবার ওয়াশরুমে গেল আর কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে বললো, "এটার ওয়াশরুম ঠিকাছে।আমরা এটাতে বসতে পারি। যে রেস্টুরেন্টের ছাড়ার জায়গায়-ই অপরিষ্কার সে রেস্টুরেন্ট কেমনে ভালো খাবার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় সেটাই তো আমার মাথায় ঢুকে না!আজিব!" আমি তার এই গুণটাতে মুগ্ধ হয়ে তাকে বিয়ে করার চূড়ান্ত সিধান্ত নিয়ে ফেলেছি। রুবার সাথে আমার পরিচয় ফেসবুকে।আমি গল্প লিখতে পছন্দ করি। 'দুধ বিভ্রাট' নামে একটা রম্যগল্প আমার প্রোফাইলে পোস্ট দেওয়ার পর অনেকের মতো রুবাও আমার গল্পের তুমুল প্রশংসা করে আর কমেন্টে কথা বলতে-বলতে আমাদের বন্ধুত্ব হয়ে যায় আর তারপর প্রেম। আজ ঘরে ঢুক...

বখাটে মেয়ে

ইদানীং কিছু বখাটে মেয়ে নাকি মার্কেটের সামনে কোন ভদ্র ছেলেকে একা পেলে কাছে ডেকে শার্ট পাঞ্জাবীর মাপ নিয়ে ছেড়ে দেয়। . কথাটা শোনার পর থেকে খুব টেনশনে আছি। না জানি কোন বখাটে মেয়ের মাপের শিকার হই। আমার কয়টা ফ্রেন্ডস ও এর শিকার হইছে। এমন ভয়াবহ কর্মকাণ্ডের শিকার হওয়ার ভয়ে বাসা থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিছি।আজ চারদিন ধরে বাসার বাইরে বের হই না।টিভি অন করলেই দেখি শপিংমল গুলতে ছেলেরা কিভাবে এই মাপের শিকার হচ্ছে।মেয়েরা ছেলেদের ধরে এনে তাদের সামনে পিছনের সব যায়গা থেকে মাপ নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে।কি সাংঘাতিক ব্যাপার। ভাবা যায়? ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি এদিকে আমার এখনো কিছুই কেনা হয় নি। তার উপর আমার বন্ধুদের সবার কেনাকাটা শেষ।শুধু আমার একার বাকি। কেনাকাটা না করলে আমার তো ঈদ হবে না।আমার একা মার্কেটে যেতে ভয় করছে। তাই ঠিক করলাম আমি একা যাবো না আমার সব বন্ধুদের সাথে নিয়ে যাবো।যেই ভাবা সেই কাজ বন্ধুদের ফোন লাগাইলাম।ওরা সবাই আমার এই দুঃসময় আমার সাথে যেতে রাজি হইছে সেই খুশিতে আমার কান্না পাচ্ছে।এমন দুঃসাহসী বন্ধুদের পেয়ে এখন নিজেকে আমার গর্ভবতী মনে হচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে উঠার আগেই আমার বন্ধুরা ...

দু'বছর আগে আমাদের ব্রেকাপের তারিখ টা ছিল । (7-6-2017 ইং)

প্রেম ভালোবাসার প্রতি আমার বেশ অনীহা ছিল সেই প্রথম থেকেই। তাই এর ধারে কাছেও আমি ছিলাম না। তবুও সে প্রেম করবেই এবং তা আমার সাথেই করতে হবে। অভিনয় করতে করতে কখন যে সে আমার প্রেমে পড়ে যায় তা হয়তো এখনো অজানা রয়েই গেছে তার। যেহেতু টার্গেট ছিল আমার সাথে প্রেম করতেই হবে। প্রেমে পড়বো না বলা মানুষগুলো একসময় প্রচন্ড রকমের ভালোবাসায় মগ্ন হয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নয়। অবশেষে প্রেমে পড়লাম। প্রেমে পড়লাম নাকি প্রেম আমার উপর পড়লো সেটাও আমার জানা ছিল না। রোজ ডে"তে গোলাপ গিফট করলাম। শুরু হল আমার আর তার ভালোবাসা। কিছুদিন বেশ ভালোই চলছিলো কিন্তু হটাৎ আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম যে, আমি তাকে যতই ভালোবাসি না কেন আমার ভালোবাসায় তার যেন কোথায় একটা অপূর্ণতা রয়েই যাচ্ছে। সে যেন পূর্ণ ভালোবাসা আমার কাছ থেকে পাচ্ছে না। ওর চোখে আমি একদম স্মার্ট ছিলাম না কারণ আমি ফ্লার্টী কথাবার্তা ওর সাথে একদমই বলতে পারতাম না। সে আমার সাথে কথা বলতো প্রয়োজনে যখন সে ফ্রি থাকে তখন। কিন্তু আমি চাই কেউ একজনের শুধু প্রয়োজন না থেকে প্রিয়জন হই আর যদি সেটা নাই হয় তাহলে কেন ভালোবাসলাম। তার সাথে বসে মুখোমু...