তিয়াশের শরীরটার সাথে আমার অনেকদিনের সম্পর্ক, সেই কলেজ লাইফ থেকে। ওর
শরীরের খাঁজ, পারফিউমের গন্ধের সাথে আমার প্রায় তিনবছরের পরিচিতি। কিন্তু
কখনও ভাবিনি ও আমার জীবন থেকে এভাবে হারিয়ে যাবে। কাউকে নিজের কষ্টের কথাও
বলারও নেই, কারণ আমার তিয়াশ যে একজন বেশ্যা...
তিয়াশের ঘরখানা বেশ ছিমছাম ছিল। স্যাঁতস্যাঁতে কিন্তু স্নিগ্ধ। প্রথম প্রথম বড্ড ঘেন্না লাগত, তারপর ধীরেধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। প্রথমবার নিষিদ্ধ এলাকায় গেছিলাম নেহাত ঝোঁকের বশেই। তখন সদ্য কলেজ পাশ করেছি। ভেবেছিলাম একবার দূর থেকে দেখেই চলে আসব। কিন্তু আব্দুলের হাত থেকে নিজেকে ছাড়াতে পারিনি। ও ছিল ওখানকার দালাল। একপ্রকার জোর করেই আমার মানিব্যাগের প্রায় সাড়ে সাতশ টাকা কেড়ে নেয়। তারপর ঢুকিয়ে দেয় একটা পায়রার খুপরির মত ঘরে। সেখানেই আমার আলাপ তিয়াশের সাথে। ভেবেছিলাম কিছু না করেই চলে আসব। কিন্তু তিয়াশকে দেখে লোভ সামলাতে পারিনি। সিগারেট আর মদের মত মেয়ের নেশাটাও মারাত্মক। ওদের গায়ের গন্ধও জিভে জল এনে দেয়। তিয়াশ সেই মুহুর্তে আমার কাছে চিকেনের লেগ পিস ছাড়া আর কিচ্ছু ছিলনা। ছিঁড়েখুঁড়ে ওর শরীরটা খাই; নোখের দাগ বসিয়ে দি ওর বুকের খাঁজে। ওটাই ছিল আমার প্রথম শারীরিক সংস্পর্শ। বেশ্যাদের প্রতি এতদিন যে তিক্ত ধারণা ছিল, সেটা তিয়াশের ওয়াক্সিং করা নির্লোম আর সুগন্ধী শরীরটা দেখে আমূল বদলে যায়।
সেদিনের মত বাড়ি চলে আসি, কিন্তু তিয়াশের শরীরটা প্রায়ই স্বপ্নে দেখতাম। আবার পরক্ষণেই ঘেন্নায় কুঁকড়ে যেতাম। এর মধ্যেই একটা চাকরি জুটিয়ে ফেলি। তারপর আবার একদিন যাই সেই পতিতালয়ে। এদিন আব্দুলকে দেখে চিনতে পারি। আব্দুল আমায় নিয়ে যায় তিয়াশের ঘরে। আজকে বেশী টাকা দিয়ে দু’ঘন্টার জন্যে কিনে নি তিয়াশকে। তিয়াশ আমায় দেখে চিনতে পারে। আগেরদিন তিয়াশের শরীরের সাথেই আলাপ হয়েছিল, ওর সাথে কথা বলার সুযোগ হয়নি। আজকে খুব জানতে ইচ্ছে হল ওর ব্যাপারে...
তিয়াশ থাকত ওর সৎ বাবা আর কাকার সাথে। ওর মা ছোটবেলাতেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। মাত্র দশবছর বয়স থেকে ওর বাবা আর কাকা দুজনে মিলে ওকে ভোগ করত। প্রতিদিন রাতের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে একদিন তিয়াশ পালিয়ে যায়। কিন্তু রাস্তাতেও কয়েকজন ওকে গাড়ীতে করে তুলে নিয়ে যায়। তিনদিন ধরে শরীরটাকে নিংড়ে নিয়ে একটা নর্দমার পাশে ফেলে যায়। সেখান থেকেই আব্দুল ওকে উদ্ধার করে এখানে নিয়ে আসে। তারপর থেকে তিয়াশ প্রতিদিন নিজের শরীর বিক্রি করে যা পায়, তার এক তৃতীয়াংশ রাখে নিজের কাছে, বাকিটা চলে যায় আব্দুলের কাছে। আজ উনিশ বছর বয়সে তিয়াশ শুধু কাস্টমারদের শারীরিক চাহিদা মেটায়। নিজের চাহিদাগুলো শেষ হয়ে গেছিল মায়ের মৃত্যুর পরেই...
তিয়াশের ওপর আমার মায়া জন্মে গেছিল, হয়ত বা ভালোবাসা। এরপর প্রায়ই যেতাম, কিন্তু শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্কের জন্য নয়, তিয়াশের সাথে সময় কাটানোর জন্য। অনেক সময় ভালো ভালো খাবার কিনে নিয়ে গেছি যেগুলো তিয়াশ আগে কোনোদিন খায়নি। আমি গেলেই ও আমার গলা জড়িয়ে ধরত, মনের কথা বলত, অনেকসময় আমার দিকে চুপচাপ তাকিয়ে থাকত। মাঝেমাঝে খুব ইচ্ছে হত ওকে নিয়ে পালিয়ে যাই। কিন্তু সমাজ আর চক্ষুলজ্জার ভয়ে কখনও সেই কথা মুখ ফুটে বলতে পারিনি। হাজার হোক আমার তিয়াশ মানুষ নয়, ও যে বেশ্যা। মাঝেমাঝে খুব হিংসে হত ওকে অন্য কাস্টমারের সাথে শুতে দেখে। ও নিজেও স্বপ্ন দেখত একটা সুস্থ জীবনের। তিয়াশ নিজের কষ্টগুলো আমায় বলত আর জড়িয়ে ধরে খুব কাঁদত।
একদিন তিয়াশের খুব জ্বর হল। ওর পাশে বসে মাথায় জলপট্টি লাগিয়ে দিচ্ছিলাম, তখনই তিয়াশ ঘোরের মধ্যে আমার হাত চেপে ধরে, অস্ফুট শব্দে বলে “তোমায় বড্ড ভালোবেসে ফেলেছি। আমায় নিয়ে যাবে তোমার বাড়িতে? আমিও বাঁচতে চাই তোমার সাথে।” সেদিনই ঠিক করেছিলাম তিয়াশকে বিয়ে করব। বাবা মা রাজী হবেনা জানতাম, ভেবেছিলাম অফিস থেকে পাওয়া নতুন ফ্ল্যাটে তিয়াশকে রাখব। সমাজ, বাবা-মা কি ভাববে, সেটা পরে দেখা যাবে। একদিন আব্দুলকে সে কথা জানালাম। আব্দুল তিয়াশকে নিজের মেয়ের মতই ভালোবাসত। একমাত্র আব্দুলই ছিল, যে তিয়াশকে কোনোদিন ভোগ করতে চায়নি। শুনে আব্দুল রাজী হল। কাছেই কালীঘাট। ঠিক করলাম ওখানেই বিয়ে করব। তিয়াশকে বলতে প্রথমে ও বিশ্বাস করেনি। পরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেছিল।
বিয়ের আগের রাতে অনেক ভালো ভালো স্বপ্ন দেখলাম। কাল থেকে তিয়াশ শুধু আমার হবে। রোজ ওকে দেখতে পাব নিজের চোখের সামনে। বাকিদের মত আমরাও প্রেম করব, সংসার করব। পরেরদিন দুপুরে পাঞ্জাবি পরে, নতুন বেনারসী আর বিয়ের আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম নিয়ে পৌঁছে গেলাম তিয়াশের বাড়ি...
আমায় দেখেই আব্দুল ছুটে এল, জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠল। কাঁদতে কাঁদতেই বলল, রাতে তিয়াশ একা বেড়িয়েছিল আলতা সিঁদুর কিনবে বলে। রাস্তায় কয়েকজন ছেলে তিয়াশকে তুলে নিয়ে যায়, ওকে ধর্ষণ করে, তারপর মদের বোতল ভেঙে ওর তলপেটে ঢুকিয়ে দেয়। তারপর ফেলে চলে যায় রাস্তার ওপর। সকালে এসে পুলিশ ওর লাশ নিয়ে গেছে। শুনে হাত থেকে শাড়ী আর ফুলের মালা পড়ে গেল। চোখে অন্ধকার দেখে রাস্তার ওপরেই বসে পড়লাম। কিছুক্ষণের জন্যে বিশ্বাস হলনা আমার তিয়াশ আর নেই। যেই মেয়েটা ছোটবেলা থেকে এত যন্ত্রণা সহ্য করে একটা ভালো জীবন পাওয়ার স্বপ্ন দেখল, তাকেও লোভী মানুষ বাঁচতে দিলনা। রাস্তায় শুয়ে পড়ে খুব কেঁদেছিলাম সেদিন, কিন্তু কেউ আমার কান্নাও শুনতে পায়নি।
তিয়াশের মৃত্যুটা সকলের অগোচরেই হারিয়ে গেছিল। পুলিশ বা মিডিয়া, কেউ একটা বেশ্যার ধর্ষণের বিচার চায়নি। একবার শেষ দেখাও দেখতে পাইনি ওকে। শুধু এখনও রোজ রাতে তিয়াশকে স্বপ্নে দেখি, শুনতে পাই ওর গলা, “আমিও বাঁচতে চাই, তোমার সাথে”...
MJ Jony Chowdhury
তিয়াশের ঘরখানা বেশ ছিমছাম ছিল। স্যাঁতস্যাঁতে কিন্তু স্নিগ্ধ। প্রথম প্রথম বড্ড ঘেন্না লাগত, তারপর ধীরেধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। প্রথমবার নিষিদ্ধ এলাকায় গেছিলাম নেহাত ঝোঁকের বশেই। তখন সদ্য কলেজ পাশ করেছি। ভেবেছিলাম একবার দূর থেকে দেখেই চলে আসব। কিন্তু আব্দুলের হাত থেকে নিজেকে ছাড়াতে পারিনি। ও ছিল ওখানকার দালাল। একপ্রকার জোর করেই আমার মানিব্যাগের প্রায় সাড়ে সাতশ টাকা কেড়ে নেয়। তারপর ঢুকিয়ে দেয় একটা পায়রার খুপরির মত ঘরে। সেখানেই আমার আলাপ তিয়াশের সাথে। ভেবেছিলাম কিছু না করেই চলে আসব। কিন্তু তিয়াশকে দেখে লোভ সামলাতে পারিনি। সিগারেট আর মদের মত মেয়ের নেশাটাও মারাত্মক। ওদের গায়ের গন্ধও জিভে জল এনে দেয়। তিয়াশ সেই মুহুর্তে আমার কাছে চিকেনের লেগ পিস ছাড়া আর কিচ্ছু ছিলনা। ছিঁড়েখুঁড়ে ওর শরীরটা খাই; নোখের দাগ বসিয়ে দি ওর বুকের খাঁজে। ওটাই ছিল আমার প্রথম শারীরিক সংস্পর্শ। বেশ্যাদের প্রতি এতদিন যে তিক্ত ধারণা ছিল, সেটা তিয়াশের ওয়াক্সিং করা নির্লোম আর সুগন্ধী শরীরটা দেখে আমূল বদলে যায়।
সেদিনের মত বাড়ি চলে আসি, কিন্তু তিয়াশের শরীরটা প্রায়ই স্বপ্নে দেখতাম। আবার পরক্ষণেই ঘেন্নায় কুঁকড়ে যেতাম। এর মধ্যেই একটা চাকরি জুটিয়ে ফেলি। তারপর আবার একদিন যাই সেই পতিতালয়ে। এদিন আব্দুলকে দেখে চিনতে পারি। আব্দুল আমায় নিয়ে যায় তিয়াশের ঘরে। আজকে বেশী টাকা দিয়ে দু’ঘন্টার জন্যে কিনে নি তিয়াশকে। তিয়াশ আমায় দেখে চিনতে পারে। আগেরদিন তিয়াশের শরীরের সাথেই আলাপ হয়েছিল, ওর সাথে কথা বলার সুযোগ হয়নি। আজকে খুব জানতে ইচ্ছে হল ওর ব্যাপারে...
তিয়াশ থাকত ওর সৎ বাবা আর কাকার সাথে। ওর মা ছোটবেলাতেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। মাত্র দশবছর বয়স থেকে ওর বাবা আর কাকা দুজনে মিলে ওকে ভোগ করত। প্রতিদিন রাতের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে একদিন তিয়াশ পালিয়ে যায়। কিন্তু রাস্তাতেও কয়েকজন ওকে গাড়ীতে করে তুলে নিয়ে যায়। তিনদিন ধরে শরীরটাকে নিংড়ে নিয়ে একটা নর্দমার পাশে ফেলে যায়। সেখান থেকেই আব্দুল ওকে উদ্ধার করে এখানে নিয়ে আসে। তারপর থেকে তিয়াশ প্রতিদিন নিজের শরীর বিক্রি করে যা পায়, তার এক তৃতীয়াংশ রাখে নিজের কাছে, বাকিটা চলে যায় আব্দুলের কাছে। আজ উনিশ বছর বয়সে তিয়াশ শুধু কাস্টমারদের শারীরিক চাহিদা মেটায়। নিজের চাহিদাগুলো শেষ হয়ে গেছিল মায়ের মৃত্যুর পরেই...
তিয়াশের ওপর আমার মায়া জন্মে গেছিল, হয়ত বা ভালোবাসা। এরপর প্রায়ই যেতাম, কিন্তু শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্কের জন্য নয়, তিয়াশের সাথে সময় কাটানোর জন্য। অনেক সময় ভালো ভালো খাবার কিনে নিয়ে গেছি যেগুলো তিয়াশ আগে কোনোদিন খায়নি। আমি গেলেই ও আমার গলা জড়িয়ে ধরত, মনের কথা বলত, অনেকসময় আমার দিকে চুপচাপ তাকিয়ে থাকত। মাঝেমাঝে খুব ইচ্ছে হত ওকে নিয়ে পালিয়ে যাই। কিন্তু সমাজ আর চক্ষুলজ্জার ভয়ে কখনও সেই কথা মুখ ফুটে বলতে পারিনি। হাজার হোক আমার তিয়াশ মানুষ নয়, ও যে বেশ্যা। মাঝেমাঝে খুব হিংসে হত ওকে অন্য কাস্টমারের সাথে শুতে দেখে। ও নিজেও স্বপ্ন দেখত একটা সুস্থ জীবনের। তিয়াশ নিজের কষ্টগুলো আমায় বলত আর জড়িয়ে ধরে খুব কাঁদত।
একদিন তিয়াশের খুব জ্বর হল। ওর পাশে বসে মাথায় জলপট্টি লাগিয়ে দিচ্ছিলাম, তখনই তিয়াশ ঘোরের মধ্যে আমার হাত চেপে ধরে, অস্ফুট শব্দে বলে “তোমায় বড্ড ভালোবেসে ফেলেছি। আমায় নিয়ে যাবে তোমার বাড়িতে? আমিও বাঁচতে চাই তোমার সাথে।” সেদিনই ঠিক করেছিলাম তিয়াশকে বিয়ে করব। বাবা মা রাজী হবেনা জানতাম, ভেবেছিলাম অফিস থেকে পাওয়া নতুন ফ্ল্যাটে তিয়াশকে রাখব। সমাজ, বাবা-মা কি ভাববে, সেটা পরে দেখা যাবে। একদিন আব্দুলকে সে কথা জানালাম। আব্দুল তিয়াশকে নিজের মেয়ের মতই ভালোবাসত। একমাত্র আব্দুলই ছিল, যে তিয়াশকে কোনোদিন ভোগ করতে চায়নি। শুনে আব্দুল রাজী হল। কাছেই কালীঘাট। ঠিক করলাম ওখানেই বিয়ে করব। তিয়াশকে বলতে প্রথমে ও বিশ্বাস করেনি। পরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেছিল।
বিয়ের আগের রাতে অনেক ভালো ভালো স্বপ্ন দেখলাম। কাল থেকে তিয়াশ শুধু আমার হবে। রোজ ওকে দেখতে পাব নিজের চোখের সামনে। বাকিদের মত আমরাও প্রেম করব, সংসার করব। পরেরদিন দুপুরে পাঞ্জাবি পরে, নতুন বেনারসী আর বিয়ের আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম নিয়ে পৌঁছে গেলাম তিয়াশের বাড়ি...
আমায় দেখেই আব্দুল ছুটে এল, জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠল। কাঁদতে কাঁদতেই বলল, রাতে তিয়াশ একা বেড়িয়েছিল আলতা সিঁদুর কিনবে বলে। রাস্তায় কয়েকজন ছেলে তিয়াশকে তুলে নিয়ে যায়, ওকে ধর্ষণ করে, তারপর মদের বোতল ভেঙে ওর তলপেটে ঢুকিয়ে দেয়। তারপর ফেলে চলে যায় রাস্তার ওপর। সকালে এসে পুলিশ ওর লাশ নিয়ে গেছে। শুনে হাত থেকে শাড়ী আর ফুলের মালা পড়ে গেল। চোখে অন্ধকার দেখে রাস্তার ওপরেই বসে পড়লাম। কিছুক্ষণের জন্যে বিশ্বাস হলনা আমার তিয়াশ আর নেই। যেই মেয়েটা ছোটবেলা থেকে এত যন্ত্রণা সহ্য করে একটা ভালো জীবন পাওয়ার স্বপ্ন দেখল, তাকেও লোভী মানুষ বাঁচতে দিলনা। রাস্তায় শুয়ে পড়ে খুব কেঁদেছিলাম সেদিন, কিন্তু কেউ আমার কান্নাও শুনতে পায়নি।
তিয়াশের মৃত্যুটা সকলের অগোচরেই হারিয়ে গেছিল। পুলিশ বা মিডিয়া, কেউ একটা বেশ্যার ধর্ষণের বিচার চায়নি। একবার শেষ দেখাও দেখতে পাইনি ওকে। শুধু এখনও রোজ রাতে তিয়াশকে স্বপ্নে দেখি, শুনতে পাই ওর গলা, “আমিও বাঁচতে চাই, তোমার সাথে”...
MJ Jony Chowdhury
Comments
Post a Comment